● وَ اِذۡ اَخَذۡنَا مِیۡثَاقَکُمۡ
“আর স্মরণ কর যখন আমরা তোমাদের সঙ্গে অঙ্গীকারগ্রহণ করলাম”
এই অংশে বর্ণিত হয়েছে, যে আল্লাহ তাআলা বনী ইসরাঈলকে তাঁর প্রতি আনুগত্য ও আইন মেনে চলার শপথ গ্রহন করিয়েছিলেন।
● وَ رَفَعۡنَا فَوۡقَکُمُ الطُّوۡرَ
“এবং তোমাদের ওপর তূর পর্বত তুলে ধরলাম”
তূর পর্বতকে এখানে সঙ্কেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা তাদের শপথের গুরুত্ব ও গুরুত্ত্ব প্রদর্শন করে।
● خُذُوۡا مَاۤ اٰتَیۡنٰکُمۡ بِقُوَّۃٍ
“তোমাদের যা দিয়েছি তা দৃঢ়ভাবে গ্রহণ কর”
আল্লাহ তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি যে আইন, শিক্ষা ও দায়িত্ব দিয়েছেন তা দৃঢ় বিশ্বাস ও পরিশ্রমের সঙ্গে গ্রহণ করতে।
● وَّ اذۡکُرُوۡا مَا فِیۡهِ لَعَلَّکُمۡ تَتَّقُوۡنَ
“এবং এতে যা আছে তা স্মরণ কর যাতে তোমরা ভয়ভীতি ধারণ করতে পার”
তারা যেন তার শিক্ষা ও বিধি-নিষেধ সবসময় স্মরণ করে আল্লাহর ভীতি ধারণ করে জীবন যাপন করে।
এই আয়াতে আল্লাহ বনী ইসরাঈলের সঙ্গে তাঁর বিশেষ শপথ ও অঙ্গীকারগ্রহণের কথা স্মরণ করিয়েছেন, যেখানে তিনি তাদের ওপর তূর পর্বত তুলে দিয়ে শপথের গুরুত্ত্ব প্রদর্শন করেছিলেন। তারপর তারা যেন তার প্রদত্ত শিক্ষাগুলো দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করে এবং আল্লাহর ভীতি মনে রেখে তা পালন করে।
আল্লাহর দেওয়া অঙ্গীকার ও শিক্ষাকে দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করতে হবে।
শপথের গুরুত্ব বুঝে তা পালন করা উচিত।
আল্লাহর ভীতি ধারণ করে জীবন যাপন করাই প্রকৃত পরিপন্থা।
এই আয়াতটি বনী ইসরাঈলের সাথে মূসা (আঃ) কালীন শপথ গ্রহণের প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছে, যেখানে আল্লাহ তাদের ওপর বিশেষ শর্ত আরোপ করেন, এবং তাদেরকে তার শিক্ষা স্মরণ ও পালন করার নির্দেশ দেন।